শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৪

জোছনালিপি - এক। 
---------------------
জোছনা নাবতো সেই সময় তুমুল শাদা। যখনতখন ছুটে আসা যোজনের বার্তা তাহার তারুণ্য রাঙা। সন্ধের সূর্যাস্ত ভাঙা রাতের গভীরতম ধূসর মেঘের ডানাভর্তি ঝর্ঝর স্বপ্নের জালে ঘিরতো জানালা। ভোর হতে না হতেই বাগানের ঘাসেঘাসে আলোকাব্যে অপেক্ষার হাতেহাতে জ্বেলে দিতো কথামালা। কথারা জোনাকি হতো। নদীময় ঢেউ হতো। অজবীথিতলে আদ্যন্ত ছায়ান্ধ গন্ধে ঘুমোতোনা দুই চোখ। চোখের অধিক দেখা হয়ে দোল খেতো ছবি আর পুরাণের শ্লোক। কত যে মধুর আহা সেই মনোহরপুর। শিশুবেলার আবছা শিথানে ভোরের ফুলেফুলে উপচানো উপহার হারানো দুপুর। এখনতো না জোছনা না জোনাকি একা বিস্তর বিদগ্ধ পথ পেরিয়ে এসেছি ঠিক। এই যে লিখছি ঝুঁকে কবেকার জোছনা ও জোনাকির নিভুনিভু চিরকুট কোন ঠিকানায় পাঠাই তাহারে তাওতো জানিনা ঠিক! মধ্যরাতের বাতাস স্তব্ধতায় থইথই! এমন বিজন ঘোরে এই অযাচিত বিভাসা কাহারে কই! কোথাও কোনও সাড়া নেই প্রাণের ডাকপিয়ন সেতো কবেই সেকেলে! নিজেরেই পোস্ট করি তবে জোছনালিপিকা এলেবেলে! 
    বৈশাখ ১৪২১ বঙ্গাব্দ।।  
------------------------------------------